চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে গিয়েই কি ‘জীবাণু দূষণ’ ঘটাবে মানুষ? বরফের মতো জমে টিকে থাকতে পারে পৃথিবীর অণুজীব
Science Recent News
চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে গিয়েই কি ‘জীবাণু দূষণ’ ঘটাবে মানুষ? বরফের মতো জমে টিকে থাকতে পারে পৃথিবীর অণুজীব
চাঁদে মানুষ আবার ফিরতে যাচ্ছে। প্রায় অর্ধশতাব্দী পর এবার গন্তব্য চাঁদের দক্ষিণ মেরু। কিন্তু মানুষ যখন সেখানে পা রাখবে, তখন হয়তো সে একা যাবে না। মহাকাশচারীর পোশাক, যন্ত্রপাতি কিংবা মহাকাশযানের সঙ্গে পৃথিবীর কিছু ক্ষুদ্র যাত্রীও চাঁদে পৌঁছে যেতে পারে—অণুজীব।
আর নতুন গবেষণা বলছে, চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কিছু এলাকায় এই অনাহূত যাত্রীরা অন্তত কিছু সময়ের জন্য টিকে থাকতেও পারে।
এটি হয়তো শুনতে খুব বড় কোনো বিষয় মনে নাও হতে পারে। কারণ চাঁদে পানি নেই, শ্বাস নেওয়ার মতো বায়ু নেই, তীব্র বিকিরণ রয়েছে এবং তাপমাত্রার ওঠানামাও চরম।
কিন্তু চাঁদের সব জায়গা এক রকম নয়।
নতুন গবেষণায় বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, দক্ষিণ মেরুর বিশেষ ভৌগোলিক পরিবেশ পৃথিবী থেকে যাওয়া কিছু শক্তিশালী ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাকের জন্য এক ধরনের অস্থায়ী আশ্রয় তৈরি করতে পারে। সেখানে তারা হয়তো বেড়ে উঠতে পারবে না, বংশবিস্তারও সম্ভবত করবে না। কিন্তু বরফে শুকিয়ে যাওয়া বা freeze-dried অবস্থার মতো নিষ্ক্রিয় হয়ে কিছু সময় টিকে থাকতে পারে।
সমস্যা হলো, বেঁচে থাকা অণুজীবই শুধু বিপজ্জনক নয়।
একটি মৃত অণুজীবও তার রাসায়নিক চিহ্ন রেখে যেতে পারে চাঁদের মাটিতে।
আর সেই চিহ্ন ভবিষ্যতের গবেষকদের বিভ্রান্ত করতে পারে।
প্রায় ৫০ বছর পর মানুষ ফিরছে চাঁদে
মানুষ সর্বশেষ চাঁদের মাটিতে হেঁটেছিল ১৯৭২ সালে, অ্যাপোলো ১৭ অভিযানে।
তারপর কেটে গেছে অর্ধশতাব্দীর বেশি সময়।
এখন নাসার আর্টেমিস কর্মসূচির মাধ্যমে মানুষকে আবার চাঁদে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। ভবিষ্যতের একটি মানববাহী অভিযান, Artemis IV, চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে যাওয়ার পরিকল্পনার অংশ।
এই অঞ্চল নিয়ে বিজ্ঞানীদের আগ্রহের কারণও বিশেষ।
চাঁদের দক্ষিণ মেরুর ভূপ্রকৃতি অন্য অঞ্চলগুলোর তুলনায় অনেক বেশি জটিল। সেখানে রয়েছে গভীর গর্ত, উঁচু-নিচু ভূখণ্ড এবং এমন কিছু অঞ্চল, যেখানে সূর্যের আলো প্রায় কখনোই পৌঁছায় না।
এই জায়গাগুলোকে বলা হয় permanently shadowed regions বা স্থায়ীভাবে ছায়ায় ঢাকা অঞ্চল।
সেখানে তাপমাত্রা নেমে যেতে পারে প্রায় মাইনাস ২০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
এমন পরিবেশে জীবন টিকে থাকার কথা ভাবাই কঠিন।
কিন্তু ঠিক এই চরম পরিবেশের কিছু বৈশিষ্ট্যই আবার নির্দিষ্ট ধরনের অণুজীবকে সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করতে পারে।
চাঁদের বিষুবরেখা আর দক্ষিণ মেরু এক নয়
চাঁদে পাঠানো আগের অনেক অভিযান মূলত বিষুবরেখার কাছাকাছি অঞ্চল নিয়ে কাজ করেছে।
সেখানে সূর্যের অতিবেগুনি বা UV বিকিরণ অত্যন্ত শক্তিশালী। পাশাপাশি দিন ও রাতের মধ্যে তাপমাত্রার বিশাল পার্থক্য দেখা যায়।
এই দুই পরিস্থিতিই অণুজীবের জন্য ভয়ংকর।
শক্তিশালী অতিবেগুনি বিকিরণ জীবাণুর ডিএনএ ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। অন্যদিকে চরম তাপমাত্রা কোষের স্বাভাবিক গঠন নষ্ট করে দিতে পারে।
কিন্তু মেরু অঞ্চলের পরিস্থিতি আলাদা।
সেখানে সূর্যের আলো ভূপৃষ্ঠে অনেক নিচু কোণে পড়ে। ফলে গভীর কিছু গর্ত ও ছায়াচ্ছন্ন অঞ্চলে সূর্যের আলো পৌঁছায় না বা অত্যন্ত কম পৌঁছায়।
এর অর্থ হলো—কম UV বিকিরণ।
আর তাপমাত্রা এতটাই কম যে কিছু অণুজীব এমন অবস্থায় এক ধরনের স্থবির বা শুকিয়ে যাওয়া অবস্থায় চলে যেতে পারে।
অনেকটা খাদ্য সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত freeze-drying প্রক্রিয়ার মতো।
অণুজীবটি হয়তো স্বাভাবিকভাবে সক্রিয় থাকবে না। খাবে না, বাড়বে না, বংশবিস্তার করবে না।
কিন্তু তার কোষ বা রাসায়নিক উপাদান দীর্ঘ সময় ধরে সংরক্ষিত থাকতে পারে।
পাঁচ ধরনের অণুজীব নিয়ে পরীক্ষা
নাসার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের গবেষক হিদার গ্রাহাম ও তাঁর সহকর্মীরা মানুষের সঙ্গে সাধারণত সম্পর্কিত পাঁচ ধরনের অণুজীব নিয়ে গবেষণা করেন।
এর মধ্যে ছিল তিন ধরনের ব্যাকটেরিয়া এবং দুই ধরনের ছত্রাক।
এই অণুজীবগুলো বেছে নেওয়ার কারণও বাস্তব।
এর আগে বিভিন্ন মহাকাশ অভিযানে দেখা গেছে, পৃথিবীর অণুজীব মহাকাশচারীর স্পেসস্যুট, মহাকাশযানের কার্গো ক্যাপসুল এবং এমনকি আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের বাইরের অংশেও পৌঁছে যেতে পারে।
অর্থাৎ মানুষ মহাকাশে গেলেই যে তার সঙ্গে পৃথিবীর ক্ষুদ্র জীবগুলো যাবে না, এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই।
গবেষকেরা চাঁদের দক্ষিণ মেরুর পরিবেশ অনুকরণ করে দেখার চেষ্টা করেন, সেখানে এই অণুজীবগুলোর কী হতে পারে।
ফলাফল বলছে, পাঁচ ধরনের অণুজীবই দক্ষিণ মেরুর নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় অন্তত ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত টিকে থাকতে পারে।
আর সবচেয়ে শক্তিশালী ছিল একটি ছত্রাক—Aspergillus niger।
এই ছত্রাক আমাদের পৃথিবীতেও খুব পরিচিত। এটি বাথরুম, শাওয়ার কিংবা পানি গরম করার যন্ত্রের মতো স্যাঁতসেঁতে জায়গায় পাওয়া যেতে পারে।
এর কোষপ্রাচীর তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী। পাশাপাশি নিষ্ক্রিয় অবস্থাতেও এটি ক্ষতিগ্রস্ত ডিএনএ মেরামত করার ক্ষমতা রাখে।
গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কিছু নির্দিষ্ট পরিবেশে এই ছত্রাক এক সপ্তাহেরও বেশি সময় টিকে থাকতে পারে।
টিকে থাকা আর বেঁচে থাকা এক জিনিস নয়
এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে।
গবেষণাটি বলছে না যে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে গিয়ে পৃথিবীর জীবাণু নতুন একটি জীবমণ্ডল তৈরি করবে।
এমনকি সেখানে তারা বংশবিস্তার করতে পারবে—এমন প্রমাণও পাওয়া যায়নি।
বরং চাঁদের পরিবেশে পানি, উপযুক্ত তাপমাত্রা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপাদানের অভাবে এসব অণুজীবের বৃদ্ধি প্রায় অসম্ভব বলেই মনে করা হচ্ছে।
কিন্তু সমস্যা অন্য জায়গায়।
ধরা যাক, একটি মহাকাশচারীর পোশাকের সঙ্গে কিছু অণুজীব চাঁদের মাটিতে পৌঁছাল।
সেগুলো হয়তো কয়েক দিন পর মারা গেল।
তাহলেও তাদের প্রোটিন, ডিএনএ, জৈব অণু কিংবা অন্যান্য রাসায়নিক চিহ্ন চাঁদের মাটিতে থেকে যেতে পারে।
অনেক বছর পর কোনো বিজ্ঞানী যদি সেই অঞ্চল থেকে নমুনা সংগ্রহ করেন এবং সেখানে জৈব রাসায়নিক উপাদান খুঁজে পান, তাহলে প্রশ্ন উঠতে পারে—এটি কি সত্যিই চাঁদের নিজস্ব কোনো উপাদান?
নাকি পৃথিবী থেকে মানুষের সঙ্গে গিয়ে সেখানে জমা হওয়া দূষণ?
এই বিভ্রান্তিই বিজ্ঞানীদের সবচেয়ে বড় উদ্বেগ।
চাঁদে পৃথিবীর জীবাণু ছড়িয়ে পড়লে সমস্যা কোথায়?
পৃথিবীতে কোনো জীবাণু পাওয়া গেলে সেটি কোথা থেকে এসেছে, তা নির্ধারণ করা তুলনামূলক সহজ।
কিন্তু চাঁদের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা।
চাঁদ এমন একটি জগৎ, যার ইতিহাসের বড় অংশ এখনো রহস্যে ঢাকা।
এর মাটিতে থাকা রাসায়নিক উপাদান, বরফের নমুনা কিংবা জৈব অণু বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা সৌরজগতের প্রাচীন ইতিহাস সম্পর্কে নতুন তথ্য জানতে চান।
কিন্তু পৃথিবীর অণুজীব সেখানে পৌঁছে গেলে তারা গবেষণার নমুনাকে দূষিত করতে পারে।
আর দূষণ সবসময় চোখে দেখা যায় না।
একটি অণুজীবের প্রোটিন বা রাসায়নিক চিহ্নও অত্যন্ত সংবেদনশীল বৈজ্ঞানিক যন্ত্রে ধরা পড়তে পারে।
ফলে ভবিষ্যতে পাওয়া কোনো জৈব সংকেতের উৎস নিয়ে সন্দেহ তৈরি হতে পারে।
বিজ্ঞানীরা হয়তো চাঁদের প্রাচীন ইতিহাসের কোনো রাসায়নিক প্রমাণ খুঁজছেন।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত দেখা গেল, সেটি আসলে পৃথিবী থেকে যাওয়া কোনো মহাকাশচারীর সঙ্গে ভ্রমণ করা এক ক্ষুদ্র জীবাণুর অবশিষ্টাংশ।
মানুষের সবচেয়ে ছোট সহযাত্রী
মহাকাশ অভিযান নিয়ে ভাবলে আমাদের চোখে সাধারণত মহাকাশচারী, রকেট, রোবট এবং বিশাল মহাকাশযানের ছবি ভেসে ওঠে।
কিন্তু প্রতিটি মানব অভিযানের সঙ্গে থাকতে পারে এমন কিছু যাত্রী, যাদের দেখা যায় না।
ব্যাকটেরিয়া।
ছত্রাক।
অন্যান্য অণুজীব।
মানুষের শরীর, পোশাক, যন্ত্রপাতি এবং মহাকাশযান সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত রাখা অত্যন্ত কঠিন।
মহাকাশযান পাঠানোর আগে কঠোর পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্তকরণ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়। কিন্তু শতভাগ নিশ্চয়তা তৈরি করা প্রায় অসম্ভব।
আর যত বেশি মানুষ মহাকাশে যাবে, যত বেশি সরঞ্জাম ও মহাকাশযান চাঁদে পৌঁছাবে, ততই বাড়বে এই ধরনের দূষণের ঝুঁকি।
এখন পর্যন্ত চাঁদের পরিবেশকে তুলনামূলকভাবে জীবাণুর জন্য প্রতিকূল বলেই মনে করা হতো।
নতুন গবেষণা সেই ধারণায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন করেছে।
চাঁদের সব জায়গা হয়তো জীবাণুর জন্য সমানভাবে প্রাণঘাতী নয়।
চাঁদ থেকে মঙ্গল: সামনে আরও বড় চ্যালেঞ্জ
চাঁদে জীবাণু দূষণের বিষয়টি শুধু চাঁদেই সীমাবদ্ধ নয়।
মানুষের পরবর্তী বড় গন্তব্য হিসেবে প্রায়ই আলোচনায় আসে মঙ্গল।
আর মঙ্গল চাঁদের তুলনায় অণুজীবের জন্য অনেক বেশি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে পারে।
সেখানে বরফ রয়েছে, ভূগর্ভে পানি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে এবং অতীত বা বর্তমান জীবনের সন্ধান নিয়ে বিজ্ঞানীদের দীর্ঘদিনের গবেষণা চলছে।
এখন প্রশ্ন হলো, মানুষ যদি নিজের অণুজীব সঙ্গে নিয়ে মঙ্গলে পৌঁছায়, তাহলে ভবিষ্যতে কোনো জীবনের চিহ্ন পাওয়া গেলে বিজ্ঞানীরা কীভাবে নিশ্চিত হবেন যে সেটি সত্যিই মঙ্গলের?
নাকি পৃথিবী থেকেই সেখানে পৌঁছেছে?
এই কারণেই চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে জীবাণু দূষণ নিয়ে গবেষণাকে ভবিষ্যতের মহাকাশ অনুসন্ধানের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
চাঁদে পরিচ্ছন্নভাবে গবেষণা করার কৌশল যত উন্নত হবে, মঙ্গলে যাওয়ার আগে মানুষ তত বেশি প্রস্তুত হতে পারবে।
মানুষ চাঁদে ফিরছে, সঙ্গে যাচ্ছে পৃথিবীও
Artemis কর্মসূচি শুধু মানুষকে আবার চাঁদে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা নয়।
এটি এমন এক ভবিষ্যতের প্রস্তুতি, যেখানে মানুষ দীর্ঘ সময় মহাকাশে থাকবে, চাঁদের পৃষ্ঠে কাজ করবে এবং পৃথিবীর বাইরের জগত থেকে নিয়মিত নমুনা সংগ্রহ করবে।
কিন্তু সেই অনুসন্ধানের সঙ্গে একটি অদৃশ্য দায়িত্বও যুক্ত হচ্ছে।
মানুষ যখন অন্য কোনো জগতে পা রাখে, তখন তাকে শুধু নিজের নিরাপত্তার কথা ভাবলে চলে না।
ভাবতে হয়, সে সেখানে কী নিয়ে যাচ্ছে।
একটি স্পেসস্যুটের গায়ে লুকিয়ে থাকা ছত্রাক।
একটি যন্ত্রের ফাঁকে আটকে থাকা ব্যাকটেরিয়া।
অথবা এমন কোনো অণুজীব, যা পৃথিবীতে সাধারণ হলেও মহাকাশের অন্য কোনো জগতে পৌঁছে গিয়ে ভবিষ্যতের গবেষণাকে বিভ্রান্ত করতে পারে।
চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে হয়তো কোনো জীবাণু নতুন জীবন শুরু করতে পারবে না।
কিন্তু তারা যদি সেখানে কিছুদিনের জন্যও টিকে থাকে, তাহলেই যথেষ্ট।
কারণ মহাকাশ গবেষণায় কখনো কখনো সবচেয়ে বড় সমস্যা কোনো বিশাল গ্রহাণু নয়।
কোনো সৌরঝড়ও নয়।
বরং মানুষের সঙ্গে চুপচাপ মহাকাশে ভ্রমণ করা, চোখে না দেখা এক ক্ষুদ্র ব্যাকটেরিয়াও হয়ে উঠতে পারে ভবিষ্যতের বৈজ্ঞানিক রহস্যের উৎস।
চাঁদে মানুষ আবার পা রাখতে যাচ্ছে।
এবার শুধু প্রশ্ন হলো—মানুষ কি একাই যাচ্ছে? নাকি তার সঙ্গে পৃথিবীর অদৃশ্য জীবনেরও একটি অংশ পৌঁছে যাবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে?
৪G LTE: যখন বিশ্ব এলো আমাদের পকেটে
পরবর্তীমহাকাশে ধীরে ধীরে পতন, বাঁচাতে গিয়েও ব্যর্থ উদ্ধারযান: শেষ সময়ের অপেক্ষায় নাসার সুইফট টেলিস্কোপ
সম্পর্কিত সংবাদ

বিজ্ঞান বার্তা
আইনস্টাইনের সমস্যার পেছনের আকৃতিতে মিললো নতুন বিস্ময়কর পদার্থবিজ্ঞান

বিজ্ঞান বার্তা
১২৫ মিলিয়ন বছরের পুরোনো কুমিরের ফসিলে UV আলোতে মিললো সম্ভাব্য ক্যামোফ্লেজ

বিজ্ঞান বার্তা
ক্ষুদ্র কোষীয় "অ্যান্টেনা" ব্যাখ্যা করতে পারে কেন কিছু শিশু হৃদরোগ নিয়ে জন্মায়
বিজ্ঞান বার্তা
'স্টমাক বাগ' প্রতিরোধী কোষকে অন্ত্র থেকে মস্তিষ্কে পাঠায়
বিজ্ঞান বার্তা
'সময় গতি বাড়াচ্ছিল, কমাচ্ছিল, এমনকি থেমেও যাচ্ছিল': পদার্থবিদ ল্যাবে 'মিনি-ইউনিভার্স' তৈরি করে সময়ের একটি মূল তত্ত্ব প্রমাণ করলেন
বিজ্ঞান বার্তা
নাসা ISS-এ পদার্থের পঞ্চম অবস্থা তৈরি করছে, মিনি-ফ্রিজ আকারের quantum ল্যাবের আপগ্রেডের সুবাদে
মন্তব্য
অনুমোদিত মন্তব্য এখানে দেখা যাবে। নতুন মন্তব্য পর্যালোচনার পর প্রকাশ হয়।
- এখনো কোনো মন্তব্য নেই।
